অপহরণের প্রায় দুই মাস পর তরুণী উদ্ধারঃ আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ

রাঙামাটির কাউখালী থেকে অপহৃত পাহাড়ি তরুণীকে প্রায় দুই মাস পর উদ্ধার করার পর ধর্ষণের মামলা হয়েছে। গত ১০ মে রাতে তরুণীর বাবা বাদী হয়ে মেয়েকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তাঁর মেয়েকে প্রায় দুই মাস আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ৪ মে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ইসলামপুর গ্রাম থেকে তরুণীকে উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৯ মার্চ বিকেলে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে উপজেলার ঘাগড়া-কাউখালী সড়কে গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। এ সময় একটি অটোরিকশা থেকে নেমে দুই যুবক মুখ চেপে ধরে তাঁকে তুলে নিয়ে যান। তাঁকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি ঘরে তাঁকে আটকে রাখে ওই দুই যুবক। ঘরে আর কেউ ছিল না। প্রতিদিন এক যুবক ঘরে এসে তাঁকে খাবার দিয়ে যেতেন। তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে এক ব্যক্তি। ৪ মে ওই যুবক খাবার দেওয়ার পর তাঁর মুঠোফোন ভুলে ফেলে চলে যান। পরে ভাইকে ফোন করেন তিনি। রাতে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রায় দুই মাস আগে মো. আলম মিয়া পাহাড়ি এক তরুণীকে এলাকায় নিয়ে আসেন। ওই তরুণীকে স্ত্রী পরিচয় দেন। পরে জানতে পারেন ওই তরুণীকে অপহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশের সহযোগিতায় তরুণীকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তরুণীটি অভিযোগ করেছেন কামাল মিয়া তাঁকে ধর্ষণ করেছেন।
রাঙামাটির কাউখালী থানার এসআই সুজন দাশ বলেন, আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *