আদিবাসী রাখাইনদের ভূমি অধিকারের সুরক্ষা চাই: নাগরিক প্রতিনিধিদল

৯ অক্টোবর, ২০২১ বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি …..মিলনায়তনে পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাখাইন জনগোষ্ঠীর ভূমি জবরদখল, উচ্ছেদ, শ্মশান, বৌদ্ধমন্দিরসহ অন্যান্য স্থাপনা জবরদখলের সরেজমিন পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রকাশে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত বক্তব্য। লিখিত বক্তব্যটি নাগরিক প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।।

সম্মানীত সাংবাদিকবৃন্দ,
সংগ্রামী শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। বাংলাদেশে সবচেয়ে বিপন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নাম রাখাইন। দশকের পর দশক ধরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক রাখাইন জনপদ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। জবরদখল-উচ্ছেদের শিকার হয়ে তাদের অধিকাংশই মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত হয়ে গেছেন। জবরদখলকারীরা তাদের ভিটেমাটি, পুকুর আর কৃষিজমি দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি, বেদখল হয়ে গেছে তাদের উপসনালয়- বৌদ্ধ মন্দির, ভূমিগ্রাসের কবলে চলে গেছে একের পর এক শ্মশানভূমি। পটুয়াখালী জেলায় বসবাসরত রাখাইন জনগোষ্ঠীর বঞ্চনা ও সংকটের ধরন পর্যবেক্ষণের জন্য ১৪ সদস্যের নাগরিক প্রতিনিধিদল গত ২৬ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২১ কয়েকটি রাখাইন জনপদ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। নাগরিক প্রতিনিধিদলের সদস্যগণ পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামে পৌঁছে স্থানীয় রাখাইন পরিবারসমূহের সদস্যসহ অন্যান্যদের সাথে কথা বলে এসেছেন। এর মধ্যে ছিল টিয়াখালী ইউনিয়নের ছয়আনীপাড়া ও চৈয়াপাড়া, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের তুলাতলীপাড়া ও মধুপাড়া, কুয়াকাটা পৌর এলাকার কেরানীপাড়া এবং লতাচাপলী ইউনিয়নের মিশ্রিপাড়া। প্রতিনিধি দলে ছিলেন- নূর খান লিটন, মানবাধিকার কর্মী, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, শিক্ষক, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, জাকির হোসেব, প্রধান নির্বাহী, নাগরিক উদ্যোগ, মির্জা মো: আজিম হায়দার, কর্মসূচি কর্মকর্তা, এএলআরডি, রাজীব নূর, দৈনিক সমকাল, আজিজ আখতার, মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার, হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটি, মাসুদ আলম, এক্টিভিস্ট, শামীমা সুলতানা লাবু, চ্যানেল ২৪, ক্যামরা পারসন, চ্যানেল ২৪, ইমরান হোসেন ইমন নিউ এইজ, অন্তরা বিশ^াস, নিউজ ২৪, দীপায়ন খীসা, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, আসিফ, দি ডেইলী স্টার, মং ম্যা রাখাইন, কারিতাস, প্রতিনিধি, পটুয়াখালী। নাগরিক প্রতিনিধিবৃন্দের সে সরেজমিন পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ সম্বলিত প্রতিবেদনের সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরার জন্য আজকের এই আয়োজন।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
সারা দেশে আদিবাসীরা নানাভাবে শোষণ, বঞ্চনা, ভ‚মি উচ্ছেদ ও শঙ্কার মধ্যে দিনাতিপাত করছে, এটা আমরা জানি, কিন্তু পটুয়াখালী অঞ্চলের রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর অবস্থা যারপরনাই শোচনীয়। রাখাইনরা প্রথম এ এলাকায় কুয়া খনন করেছিল, তাই নাম হয়েছে কুয়াকাটা। অধিকাংশ রাখাইন আদিবাসী আজ দেশান্তরি, বিপন্ন; কেবল সংখ্যালঘু নয় বরং তারা সংখ্যাশূন্য হতে চলেছেন। ১৭ শতকের শুরুতে এ অঞ্চলে প্রথম বসতি গড়ে যারা বনজঙ্গল কেটে আবাদি জমি তৈরি করে অঞ্চলকে বসবাসযোগ্য করেছিল, যেখানে কয়েক দশক আগেও লক্ষাধিক রাখাইনের পদচারণে মুখরিত ছিল, সেখানে তাদের সংখ্যা বর্তমানে মাত্র আড়াই হাজারে নেমে এসেছে। ১৯৪৮ সালে পটুয়াখালীতে ১৪৪টি ও বরগুনায় ৯৩টি রাখাইনপাড়া ছিল, বর্তমানে সেখানে যথাক্রমে ২৬টি ও ১৩টি পাড়া টিকে আছে। এর মধ্যে সর্বশেষ যে রাখাইন পাড়াটি এ বছর নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সেটি হলো ছয়আনি পাড়া। পায়রা বন্দরের জন্য অধিগ্রহণের কবলে পড়ে পাড়াটি বিলুপ্ত হয়েছে। এই বসতি এলাকায় একটি তাদের পবিত্র বৃক্ষ ছিলো যার নাম করনজা গাছ। গাছটি ছিলো প্রায় ২ থেকে ২৫০ বছরের পুরাতন। মূলত এই গাছকে ঘিরেই গড়ে ওঠে তাদের ধর্মীয় ও সমাজ ব্যবস্থা। অধিগ্রহণের পর এ পাড়ার ৬টি পরিবারকে তাদের বসতবাড়ি, গাছ এবং স্থাপনার জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে কিন্তু তাদের ভোগদখলকৃত জমির ক্ষতিপূরণ তারা পাননি।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,

বিলুপ্ত হওয়া ছয়আনি পাড়ার কাছেই কুয়াকাটা-বরিশাল হাইওয়ের পাশর্^বর্তী এবং আন্ধারমানিকের শাখা নদী-আড়পাঞ্ঝাশিয়ার তীরবর্তী পাড়া চৈয়াপাড়া। এ পাড়ায় রাখাইনদের সব জমি দখল হয়ে গেছে, শ্মশানের অধিকাংশই দখল টিকে আছে কেবল ১০-১২ শতাংশ। রাখাইন রীতি অনুযায়ী প্রতিটি পাড়ায় ২টি শ্মশান থাকে। এর একটি হচ্ছে স্থানীয় শ্মশান অন্যটি অতিথি শ্মশান। যেভাবে শ্মশান দখল হয়ে যাচ্ছে তাতে আগামীতে হয়তো শবদেহ সত্কারের কোনো জায়গাই থাকবে না। চৈয়াপাড়া শ্মশানে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে লাশ/শবদেহ নিয়ে যাবার রাস্তাটিও এখন নাই। বাজারের দোকানের সমস্ত ময়লা সেখানে ফেলা হচ্ছে শ্মশানে, প্রাকৃতিক কাজও সেখানে সারছে বাজারের লোকজন। সরেজমিনে দেখা যায় শ্মশানে ঢোকার পথে গেট পর্যন্ত লাগিয়েছে স্থানীয় এক দোকান মালিক। একইভাবে কুয়াকাটার থনজুপাড়া, মিশ্রীপাড়া, দিয়ার আমখোলা, কালাচানপাড়া, তুলাতলী, নয়াপাড়া, সোনাপাড়া, হাড়িপাড়াসহ অধিকাংশ পাড়ার শ্মশান পর্যন্ত দখল হচ্ছে। বিকৃত করে দেয়া হচ্ছে পাড়া কিংবা রাখাইন গ্রামের নাম (হুইসেন পাড়াকে করা হয় হোসেন পাড়া, দোকাশি পাড়াকে করা হয় দোভাষী পাড়া, থঞ্জু পাড়াকে করা অঞ্চু পাড়া, ফ্যাথিপাড়াকে করা হয় ফাঁসিপাড়া, নাচনাপাড়াকে করা হয় ওলামা নগর, দঙকুপাড়াকে করা হয় ইসলামপুর ইত্যাদি)।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
আদিবাসী রাখাইনদের সকল উৎসব ছিল ভূমিকে কেন্দ্র করে। ফসল ফলানোর জন্য জমি তৈরি করা, বীজ বোনা, ফসল তোলা, ফসলের ব্যবহার, বিয়ে, জন্ম-মৃত্যু-আনন্দ এসব উৎসবগুলো ঋতু ও ভূমিকেই নিয়ে। অথচ সেই ভূমিই নেই। আদিবাসী রাখাইনদের দাবি, তাঁদের কাছ থেকে ভূমি কেড়ে নেয়ার অর্থ হচ্ছে একটি বাগান থেকে ফুল ছিড়ে নেয়ার মতো। ভূমি নেই তো আনন্দ-উৎসব কিছুই নেই। সংস্কৃতিচর্চার জায়গা কোথায়, গান-নৃত্য তো দুরের কথা; মনের কথা বলার জায়গাই তো নেই! প্রত্যেক পাড়ার রিজার্ভ পুকুর দখল হচ্ছে। প্রত্যেক পাড়ার মুর্তি চুরি হয়ে যাচ্ছে। কুয়াকাটায় ফ্রুচাইপাড়ায় ১৯২৫ সালে নির্মিত গৌতম বুদ্ধের শয়ণরত বৌদ্ধবিহার এলাকার চারপাশ দখল করা হয়েছে। মিশ্রিপাড়ায় বৌদ্ধবিহারের জমি দখল করে একের পর এক দোকানঘর নির্মাণ করা হয়েছে, বৌদ্ধমন্দিরের মাঠ দখল করে বাজার বসানো হয়েছে। দেবালয় উল্লেখকৃত রেকর্ডের জমিও রক্ষা পায়নি।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
রাখাইন দের জমি, পুকুর, শ্মশানসহ সবকিছু দখল হয়ে যাচ্ছে বলেই নিজভ‚মি ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছেন তারা। জালিয়াতির মাধ্যমে জমি জবরদখল, রাজনৈতিক প্রভাবশালী ও স্বার্থান্বেষী দালাল চক্রের দৌড়াত্ম এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের নিষ্ক্রিয়তার কারণে তারা তাদের ভ‚মি হারাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। যে প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে রাখাইনদের সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে তার ধারাবাহিকতা চলতে থাকলে এই অঞ্চলে রাখাইনদের অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আমরা দেখতে চাই আর যেন একটি রাখাইন পাড়াও নিশ্চিহ্ন না হয়। একই সাথে আমরা চাই উচ্ছেদ হওয়া রাখাইন পরিবারগুলোকে যথাযথভাবে তাদের জীবনধারা ও সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্থানে পুণর্বাসন নিশ্চিত করা হোক। সেই সাথে নি¤œলিখিত দাবিসমূহ পূরণের জন্য সরকারের কাছে আহŸান জানাই-
১. বেদখলকৃত বৌদ্ধ বিহারের জমি ও রির্জাভ পুকুর বেদখলমুক্ত করতে হবে। রাখাইনদের বেদখলকৃত শ্মশান ভূমি দখলীমুক্ত করে তাদের কাছে ফেরত এবং অবৈধদখলদারীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
২. রাখাইন ভাষা রক্ষার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে অবিলম্বে রাখাইন ভাষায় শিশু শিক্ষা কার্যক্রম শুরু এবং বিদ্যালয় সমূহে রাখাইন শিক্ষার্থীদের নিজস্ব ধর্মীয় শিক্ষার সুয়োগ দিতে হবে।
৩. রাখাইন সংস্কৃতি রক্ষা, বিকাশ ও চর্চার লক্ষে রাখাইন কালচারাল একাডেমিকে সক্রিয় করতে হবে।
৪. বিকৃত করা রাখাইন পাড়ার নাম স্ব স্ব ঐতিহ্যগত নামে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।
৫. যে সকল রাখাইন অধ্যুষিত গ্রামে শ্মশান ভ‚মি নেই সেখানে মৃতদেহ সৎকারের জন্য দ্রæত রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জায়গা বরাদ্দ দিতে হবে (কলাপাড়া সদর, কালাচাঁন পাড়া, কুয়াকাটা পাড়া, নয়াপাড়া, নায়রীপাড়ার জন্য)।
৬. ভূমিদস্যু, স্থানীয় প্রভাবশালী ও সাবেক ভূমি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে অবৈধ হাউজিং ব্যবসা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
৭. রাখাইন তাঁতশিল্প টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ, প্রশিক্ষণ ও বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. পটুয়াখালী ও বরগুনার সর্বশেষ যে ২৫৬১ জন রাখাইন বাস করছেন তাদের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং এই অঞ্চল থেকে যেন রাখাইন মানুষেরা চিরতরে হারিয়ে না যান তার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।
৯. ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাসত্ব আইনের ৯৭ ধারা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
১০. সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের প্রতিশ্রæতি দ্রæত বাস্তবায়ন করতে হবে। ভূমি কমিশনের মাধ্যমেই স্থানীয় ভূমি বিষয়ক/মামলা,তথ্য-নথি,দলিল-পত্র সংরক্ষণ ও কর্ম প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে হবে।
১১. রাখাইনদের সংরক্ষিত পবিত্র-প্রথাগত ভূমি-বনভূমি, জলাভূমি, বৃক্ষ, দেবস্থান, মন্দির, বিহার, উৎসব ও মেলা এলাকা-প্রার্থনা এলাকা, সামাজিক রীতি ও আইনের মাধ্যমে পরিচালনা, রক্ষা-বিকাশের জন্য আইনগত ভাবে স্বীকৃতি, মর্যাদা ও দখলীমুক্ত করে রাখাইনদের হাতে তুলে দিতে হবে।
১২. রাখাইনদের ঐতিহাসিক স্থান সমুহসহ নিজস্ব সংরক্ষিত এলাকা কোন ভাবেই অধিগ্রহণ করা চলবে না।
১৩. বেদখলকৃত, অর্পিত/শত্রæ সম্পত্তির নামে দখলকৃত জমি রাখাইনদের কাছে ফেরত দিতে হবে।
১৪. রাখাইন এলাকায়/জমিতে কোন প্রকল্প গ্রহণ করার ক্ষেত্রে তাদের পূর্বানুমতিসহ রাখাইনবান্ধব প্রকল্প হাতে নেয়া।
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ,
এটা সবাই স্বীকার করে যে, বৃহত্তর পটুয়াখালী অঞ্চলের বিস্তীর্ণ জমিকে রাখাইন জনগোষ্ঠীই তাদের ঘাম ও রক্ত দিয়ে বাসযোগ্য ও আবাদযোগ্য জমিতে পরিণত করেছিল। তাদের অন্যতম প্রধান নেতা উ সু য়ে বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে অনবদ্য ভ‚মিকা রেখেছিলেন। আজ সেই রাখাইন জনগোষ্ঠী উন্নয়নের নামে উচ্ছেদের সম্মুখীন, জালিয়াতি ও জবরদখলের দ্বারা তাদের জমি কেড়ে নেয়া হচ্ছে । এই মুহূর্তে রাখাইন জনগোষ্ঠীর ভূমি, জীবন-জীবিকা রক্ষার্থে প্রয়োজন সাহায্য-সহযোগিতা ও নৈতিক সমর্থন। আদিবাসী রাখাইন জনগোষ্ঠীর খবর ও তথ্য মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ যেভাবে সাহসিকতার সাথে উপস্থাপন করেছেন সেজন্য আমরা গণমাধ্যমের বন্ধুদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আগামীতেও আপনাদের বস্তুনিষ্ট তথ্য সমৃদ্ধ খবর পরিবেশন করে আদিবাসী ও প্রান্তিক রাখাইন নাগরিকদের অধিকার বঞ্চনার পরিস্থিতি দেশবাসীকে অবহিত করবেন মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
ধৈর্য্য সহকারে বক্তব্য শোনার জন্য সকলকে অশেষ ধন্যবাদ।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *