বিয়ের সনদ না থাকায় আদিবাসী নারীরা বঞ্চিত

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথাগত আইন সংস্কার ও আদিবাসী নারীর প্রতি বৈষম্য দূর করার দাবিতে সোমবার রাঙামাটিতে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের সহযোগিতায় ও স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা প্রোগ্রেসিভের আয়োজনে আশিকা সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রীতা চাকমা, প্রোগ্রেসিভের নির্বাহী পরিচালক সূচরিতা চাকমা, নারী নেত্রী নুকু চাকমা। লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন আশিকা মানববিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক এ্যাডভোকেট কঙ্কিতালুকদার।

তিনি বলেন, আদিবাসী সমাজে বিয়ের সনদ বা দালিলিক প্রমাণপত্র না থাকার কারণে বিয়ে অস্বীকারের প্রবণতা বেড়ে চলছে। এতে করে ক্ষতিগ্রস্ত নারী তার স্বামীর ঔরসজাত সন্তানের ভরণ-পোষণ আদায় করতে পারছে না। বিবাহিত নারী ও তার সন্তানরা বঞ্চিত হচ্ছে উত্তরাধিকার থেকে।

তিনি বিবাহ সনদ প্রদানের মাধ্যমে আদিবাসী নারী-পুরুষের বৈবাহিক সম্পর্কের দালিলিক প্রমাণ, স্ত্রী ও সন্তানদের উত্তরাধিকার প্রদানসহ আদিবাসী নারীদের বিচারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করার দাবি জানান।

বক্তারা বলেন, নারী নেতৃত্ব সৃষ্টির লক্ষ্যে পুরুষের পাশাপাশি যোগ্যতা সম্পন্ন নারীদের হেডম্যান বা কারবারি নিয়োগের জন্য প্রথাগত তিন সার্কেল চিফকে আরও মনোযোগী হতে হবে। পাশাপাশি আদিবাসী নারীদের সম্পত্তির উত্তরাধিকার প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালার জন্য স্ব-স্ব সমাজের উদ্যোগ গ্রহণ এবং নারীদের প্রথাগত বৈষম্য ও অনৈতিক শাস্তির বিধান রহিতকরণসহ সব ধরনের প্রথাগত বিধান লিখিতরূপে সংরক্ষণের পরামর্শ দেন তারা।
সূত্র-সমকাল

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published.