পাহাড়ের নতুন রঙের, নতুন সম্ভাবনা! চুনীলালের শিল্পযাত্রার স্বপ্ন যেন ভঙ্গ না হয়…

পাহাড়ের শিল্পের যে দ্যুতি তা নিয়ে খুব কমই কাজ হয়েছে। চুনীলাল দেওয়ান সর্বপ্রথম পাহাড়ের অনুভূতিগুলো শিল্পের ফ্রেমে উপস্থাপণের প্রয়াস চালান। কলিকাতা আর্ট কলেজে একসাথে সময় কাটিয়েছেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের সাথে। মূলত চুনীলাল দেওয়ানের হাত ধরেই পাহাড়ের উর্বর শিল্পসম্ভাবনার সন্ধান পাওয়া যায়। কেবল চিত্রশিল্পীই নন, তিনি একাধারে কবি, গায়ক, সুরকার, গীতিকার ও ভাস্কর ছিলেন। পাহাড়ের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি জগতে চুনীলালের স্বপ্নময় পদচারণা প্রজন্মের অনেককেই এখনো বেশ উৎসাহ যোগায়।
পরবর্তীতে শিল্পী কনক চাঁপা চাকমা পাহাড়ের রঙকে পরিচয় করিয়ে দেন মূলধারার শিল্পযাত্রার সাথে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় পড়ার সুবাদে তাঁর সে সুযোগটুকু তৈরী হয়েছে। তাঁর তুলির গতি ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বের শিল্প দরবারেও। কনকচাঁপার শিল্প ভাবনায় পাহাড়ের কোলে আবহমানকাল সৌন্দর্যের বেষ্টনিতে নিষ্পাপ মুড়িয়ে থাকা পাহাড়ী কন্যার অন্তর্দহন, উচ্ছাস, গহীনের শব্দগুলো উঠে এসেছে। তাঁর শিল্প ভাবনায় সবসময় খেলা করে বেড়ায় পাহাড়ী কন্যার নিষ্পাপ চাহনি অথবা নির্মল অবয়ব। কখনো কখনো বৌদ্ধ ধর্মের গেরুয়া সারল্যের প্রতি ঝোঁক পাওয়া যায় তাঁর কাজগুলোতে। অবশ্য সবসময়ই তুলির গতিতে অবিরাম তিনি রঙের উজ্জ্বলতা ছড়িয়ে দিচ্ছেন সাহসী এবং পরিণত ক্যানভাসে। গতিময় তুলিতে নির্বাক বয়ান দিয়ে যাচ্ছেন কিছু “সময়ের”। পাহাড়ের শিল্পযাত্রায় নিজের অবস্থান অনেক উঁচুতে প্রতিষ্ঠিত করলেও তিনি পাহাড়ের সমাজে কিছুটা বিরাগভাজন হয়েছেন! ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে! সেগুলো চলতি লেখার বিবেচ্য বিষয়বস্তু নয়। শিল্পের প্রতি যে দ্বায়, শিল্পীর উঁচুমানের জীবনবোধে তিনি মনযোগ দিতে পেরেছেন কিনা সেটা সময়ই হয়তো বিচার করবে। তবে পাহাড়ের শিল্পীদের জন্য অণুপ্রেরণার একটা জায়গা তিনি নিশ্চয়ই প্রতিষ্ঠা করেছেন।
যাই হোক,পাহাড়ের শিল্পচর্চার ধারাটা খুব বেশী বেগবান হয়ে উঠতে পারে নি, বিভিন্ন কারণে। তবে সেখানকার অব্যক্ত অনুভূতিগুলো সুযোগ মিললেই দেওয়াল ভাঙার উচ্চারণে উঠে আসার বিদ্রোহ দেখিয়েছে। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় “হিল আর্টিস্ট গ্রুপ” । প্রতিষ্ঠার পর থেকে তারা পাহাড়ের শিল্পচেতনার সাথে সংযোগ ঘটানোর প্রয়াস চালিয়েছেন, দেশের শিল্পজগতের। এপর্যন্ত প্রায় ৬টি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছেন তারা পাহাড়ের শিল্পীদের নিয়ে। গত ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং থেকে আগামী ১৪ই ডিসেম্বর,২০১৬ ইং পর্যন্ত তাদের একটি চিত্র প্রদর্শনী ঢাকার ধানমন্ডিস্থ দৃক গ্যালারিতে চলমান রয়েছে। উদ্বোধনী দিন ক্যাম্পাস থেকে প্রায় ডজনখানেক বন্ধুবান্ধব-এবং ছোটভাইদের উৎসাহ যুগিয়ে ছিলাম প্রদর্শনীতে একবার ঢুঁ মেরে আসতে। আমি নিজেও একটু ঘুরে আসলাম।
আমার পরিচিত অনেক শিল্পীর কাজ দেখলাম। ভালো লাগলো। ঘুরে আসা প্রদর্শনী এবং ইতোপূর্বেকার আমার ব্যক্তিগত আগ্রহের জায়গা থেকে পাহাড়ের শিল্প ও শিল্পীদের প্রতি স্বভাবসুলভ ঝোঁকের নিমিত্তে সম্ভাব্য ধারাবাহিক অনুস্মরণ চেষ্টার অভিজ্ঞতার আলোকে আমার চেনা-জানা মুখগুলোর শিল্পভাবনার সাথে কিছুটা সহভাগিতা করার খায়েশ হলো। সেই খেয়ালেই, এই লেখা….
খেয়াল করছি, শিল্পী নান্টু চাকমার তুলিতে গতি এসেছে, রঙ ব্যবহারে তিনি পরিণত এবং স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। তাঁর বিষয়বস্তুর গভীরে খোঁজ নিলে দেখা যায় সেখানে আস্ত একটা পাহাড় বসে আছে যেন! পাহাড়ের প্রতি নিখাদ ভালোবাসায় উদাসীন জীবন নিয়েই বোধহয় তিনি সাজাতে চান আরেক পাহাড়ের চুড়ো। পাহাড়ি ছড়ায় চপল জুম্ম নারীর নিবিড় কথোপকথনের মতোই তাঁর ছবির ক্যানভাসের মাঝেই তিনি ধরা দেন অন্য একটি চোখ নিয়ে, অন্য একটি অনুভূতি নিয়ে।
ঘন-সবুজের কোলে ঐতিহ্যের চাঁদরে ঢাকা নিটোল পাহাড়ি গ্রাম কখনো কখনো তাঁর ছবির বিষয়বস্তু হয়, ঘুমিয়ে থাকা সারি সারি পাহাড়ের চিরন্তন মোহের টানে কখনো কখনো ছুট দেয় তাঁর দূরন্ত এবং ক্ষ্যাপাটে তুলি। জীবনবোধেও সাহসী উচ্চারণের দৃঢ়তা দেখানো এই শিল্পী মাঝে মাঝে ছিমছাম ক্যানভাসের উপরিভাগে নির্মাণ করেন নীল-সাদা-সবুজের লুকোচুরি। সেখানে মেঘেরা যদি ভেসে না বেড়ায়, তবে অস্তগামী সূর্যের খেয়ালিপণা নয়তো ভোরের নিষ্কলুষ হিমেল হাওয়ার স্বাদমাখা একটা সকাল আপনি খুজে নিতে পারবেন কখনো কখনো। পাহাড়ের সরল এবং নিবিড় আলোছায়ায় তিনি গভীর মনযোগে খেলতে চান শিশুতোষ কৌতুহলে!
নান্টুদার কাজগুলো প্রাণবন্ত। সেন্স মেকিং। তাঁর কাজগুলোতে একটা প্রাণ আছে। সেই প্রাণ জাগিয়ে তুলতে তিনি তাঁর চেতনারই রঙ মাখেন হয়তো। এইতো কদিন হলো জলরঙ ছেড়েছেন। এক্রিলিক মাধ্যমে তিনি নতুন ক্যানভাস নির্মাণ করার সাহস দেখাতে পারছেন, এটাই বা কম কীসে??
প্রদর্শনীতে তাঁর চারটি চিত্রকর্ম তিনি হাজির করেছেন। “রেইনিং ইন স্প্রিঙ” শিরোনামের কাজটি দেখেই আপনার মনে হবে যে, তুলি নিয়ে নিখুঁত অভিযান চালাতে তিনি সবকিছু ভুলে থাকতে পারবেন।
15391212_1302964623058061_4463054391910349839_nশিল্পী জয়দেব রোয়াজা দাদার সাথে সেভাবে পরিচয় নেই। গতবছরের হিল আর্টিস্ট গ্রুপের প্রদর্শনীতে যেয়ে তাঁর কাজের সাথে পরিচয় হওয়ার সুযোগ ঘটে। সেই থেকে ফেসবুকে তাঁর শিল্পভাবনাকে খেয়ালে রাখার চেষ্টা করেছি। বিনয়াবনত পর্যবেক্ষণের দাবি রেখেই বলতে চাই, পাহাড়ের শিল্পে যে সম্ভাবনা নতুন করে উঁকি দেয়, সে যাত্রায় জয়দেব দা অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন অনায়াসেই। তাঁর কাজগুলো ভীষণ ভালো লাগে। ভালো লাগার মতোন যে!
তিনি কবে যে এত পরিণত শিল্পযাত্রা শুরু করেছেন তা আমরা অনেকেই খেয়ালও করতে পারি নি হয়তো। যাই হোক আমার মতো করেই আমি খুজে পেয়েছি যে, জয়দেব দা-র শিল্প ভাবনায় নিখাদ শিল্পের আনন্দ উপভোগ করার প্রবণতা আছে।
অবশ্য পাহাড়ের গহীনে প্রবেশ করে তিনি বের করে নিয়ে আসেন আদি পাহাড়ের পাথরে মোড়ানো ছিপছিপে ছড়ার বহমানতা। কখনো তিনি আটকে থাকেন গুল্মরশ্মির শেকড়ে, সবুজ মিহি আগাছা হয়ে! গতির সাথে মিল রেখে কাঁচা সবুজের মিশেল তিনি নির্ধিদ্বায় ক্যানভাসে তুলে দিচ্ছেন। তার ভাবনায় সাহসী অঙ্গীকার আছে গহীন থেকে গহীনে প্রবেশ করার। তার ভাবনায় যেন সবসময়ই লুকিয়ে থাকে এক একটি “Haza Toisa”
কয়েকদিন আগেই তিনি জাপান থেকে পারফরমেন্স আর্টের একটা সফর করে আসলেন। এগিয়ে যান দাদা শুভ কামনা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার পরিচিত মুখ ভানরাম বম আমার স্কুলবন্ধু। মোনঘরে পড়ার সময় আমরা তাঁকে ডাকতাম “আতে”, তাঁর ঘরোয়া নাম। নামটাও যে শিল্পমুখর! যতদূর জানি, বান্দরবানের রুমায় তাদের পুরো ফ্যামিলিটাই যেন একটা শিল্পের বন্ধন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক চারুকলা শিক্ষার্থী এবং তাঁর আপন বড়ভাই শিল্পী জিংমুন লিয়ান দাদাও আমার একান্ত পরিচিত।
যাই হোক, কাছের বন্ধু হিসেবে যতটুকু দেখেছি, আতের কাজে পরিপক্কতা আসছে। কবে কবে যেন জলরঙের খোলস ভেঙে ক্যানভাস বড় করার প্রয়াস পেয়েছেন! বিভিন্ন মাধ্যমে তাঁর নিরীক্ষামূলক কাজগুলোয় বম জাতির উন্ন রুচি, মানবিকতা, অভিজাত সাংস্কৃতিক চৈতন্য, উঁচু সামাজিক মূল্যবোধের মানসপট ফুটে উঠছে যেন। চলতি প্র্রদর্শনীতে তার “মিসআউট” শিরোনামের কাজটি তাঁকে অনেক উচ্চতর যাত্রায় সামিল হওয়ার আহবান জানাচ্ছে। বম, খুমী, ম্রোদের ব্যবহার্য পানি রাখার প্রাকৃতিক পাত্রগুলোর মাঝে হয়তো তিনি খুঁজে ফিরে পেতে চান,স্বতন্ত্র অনুভূতির স্বাদ। আতে, যাত্র তব শুভ হোক!
জুলিয়ান এর কথা না বললেই নয়, জুলিয়ান কাজ করছে আধুনিক মাধ্যমগুলো নিয়ে। সম্পর্কে ভানরাম এর ভাতিজা। আমার স্কুল, কলেজ এবং বর্তমান ক্যাম্পাসেরও প্রিয়ভাজন অনুজ। প্রদর্শনীতে তাঁর “MN Larma” শিরোনামের মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার উপর করা কাজটি কেবল তারই নয়, আমার কাছে পুরো প্রদর্শনীটির অন্যতম সেরা কাজ। নিখুঁত একটা প্রচেষ্টায় চেতনালব্ধ বুনন ফুটে উঠেছে এই কাজে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েল চারুকলায় অধ্যয়নরত এই নবীন শিল্পপথিক একাডেমিক শিক্ষার দক্ষতাকে পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করছেন এবং অবশ্যই আমাদেরকে আশান্বিত করছেন। “Winter” শিরোনামের গ্রাফিক্স এর কাজটি খুবই ভালো হয়েছে। সাহসী যাত্রা নিঃসন্দেহে। অনেক পরিণত লাগছে। জীবনবোধে শিল্পের প্রতি সততা রাখতে পারলে এগিয়ে যেতে পারবেন, এ বিশ্বাস আমি অবশ্যই করি।
জুলিয়ানের চিত্রপটে বিষয়বস্তুর আয়োজনটা ভালো। রঙের ব্যবহারে বাহারি ঝলক আছে, তবে নিপুন হতে একটু সময় সে নিশ্চয়ই টানবে।
জয়দেব দা-র কাজগুলোতে আলোছায়ার যাদু আছে। নান্টু দার কাজে আছে নিবিড় অনুভূতি, ভানরামরা জানান দেয় স্বাতন্ত্র ও বৈচিত্রের, জুলিয়ান সেখানে সাহস দেখায় নতুন মাধ্যম নিয়ে, নতুন আঙ্গিকে, নতুন ক্যানভাসে কাজ করার। সবাইকে অভিনন্দন! আপনাদের তুলিতে বেঁচে থাকুক চুনীলালের শিল্পযাত্রার স্বপ্ন…
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া অনেকের তুলিতেই গতি এবং প্রতিশ্রুতির মিশেল আছে, কিন্তু বিষয় নির্বাচনে কেউ কেউ খেই হারিয়ে ফেলছেন। আবার অনেকে বিষয়বস্তু ঠিকমতোন ধরতে পারলেও তার গভীরে যেতে পারছেন না। অনেকেই আবার দ্বিধান্বিত যেন রঙ মাখার যথার্থতা নিয়ে! ক্যানভাস, ফ্রেম এবং মাধ্যম বিষয়বস্তুর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা তাও খেয়ালে আসা উচিত। অনেক চমকপ্রদ বিষয়বস্তু ভাবনায় আসছে, কিন্তু যথার্থ তুলি চালিয়ে, উপযুক্ত রঙ মাখানোর কাজ হয়তো করা যাচ্ছে না। সবকিছুর পরেও আমরা মোটাদাগে চিহ্নিত করবো প্রত্যাশিত “সম্ভাবনা”-কেই।
অনেক প্রতিভাবান নবীন শিল্পীদের আগমনী রঙ পাহাড়ের ক্যানভাসে দেখা যাচ্ছে। অনেকের সাথেই হয়তো খুব বেশি নৈকট্য নেই। তবে পাহাড়ের শিল্পযাত্রায় তাঁদের অঙ্গীকার এবং প্রতিশ্রুুতি আমাদের জন্য খুবই স্বস্তিদায়ক। তবে অনেক অনেক কাজ করতে হবে নবীনদের। খুব দ্রুত প্রতিষ্ঠা পাবার অথবা খ্যাতি অর্জনের প্রবণতা পরিহার করা কেবল শিল্পীদের জন্যই নয় পাহাড়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে যারা কাজ করছেন, তাদেরকেও খেয়াল রাখতে হবে। অাশার কথা হচ্ছে লেখালেখি, গানবাজনা, নৃত্য, নাটক, সাহিত্য, চিত্রকলা, ফটোগ্রাফী, ফিল্ম-চলচিত্র ইত্যাদিসহ অন্য আরো অনেক নতুন নতুন বিষয় নিয়ে ঠুকঠাক হলেও কাজ হচ্ছে। এসবের দুর্বার আয়োজন চলতে থাকুক…
পাহাড়ের মেঘ, রোদ, হাওয়া, সবুজ, পাথর, ঝিড়ি, ছড়া, আলো-ছায়ার নিখুঁত ছাপ আমরা পাহাড়ের শিল্পীদের ক্যানভাসে উপভোগ করতে চাই। তাঁদের তুলিতে কোমল সৌন্দর্যের অর্ন্তমুখী আহবান থাকুক, নির্মল ব্যাপ্তি ছড়াক প্রত্যাশার রঙ।
পাহাড়ের তেজোদীপ্ত সংগ্রাম, যুগান্তরের চেতনা, বঞ্চিত ইতিহাস এবং প্রতিরোধের বার্তাও উঠে আসুক আমাদের শিল্পীদের তুলিতে। শিল্পের প্রতি নিখাদ দরদ, বিশ্বাস এবং মনযোগ হয়ে উঠুক সময়ের “ক্রাইসিস”-কে উপলব্ধিতে নেওয়ার হাতিয়ার। তার যথাযথ প্রয়োগ ঘটুক শিল্পীদের মানসপটে, শিল্পভাবনায় এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনাচরণেও। সেই শিল্পবোধের প্রেরণা আমাদেরকে সাহস যোগাক সর্বত্র।
ধনমনি চাকমা, লাভলী চাকমা, রনেল চাকমা, জিংমুন লিয়ান বম প্রমুখ শিল্পীর পথচলার সাথে আমি কিছুটা পরিচিত। ফেসবুক মারফত সমসাময়িক বর্তমানের কয়েকজনকেও বিভিন্নভাবে কিছুটা জানার সুযোগ হয়েছে। প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন প্রায় ২৭ জন নবীন-প্রবীন শিল্পী। সাপু ত্রিপুরা, তিতাস চাকমা, নয়ন ত্রিপুরা, খিং সাই মং, নয়ন ত্রিপুরা,দিব্য আলো চাকমা,জয়তু চাকমা,লুম্বিনী দেওয়ান, এভলি চাকমা,সৌমিক দেওয়ান, নুমংসিং মারমা, তনিমা চাকমা, জেনিমং, মং খ্য সিং, নয়ন আলো চাকমা প্রমুখের কাজ প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। কনকচাঁপা চাকমার মত প্রতিষ্ঠিত শিল্পীদের সাথে একই প্ল্যাটফর্মে পাহাড়ের অনেক নবীন শিল্পীর চিত্র প্রদর্শনী নিশ্চয়ই উপভোগ করবেন। সময় করে ঘুরে আসুন দৃক গ্যালারি থেকে….

1939964_750668751612734_349647012_nসুলভ চাকমা; শিক্ষার্থী; আইন বিভাগ; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *