ঢাকায় ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৯ বছর: স্থানীয় জনগণের ভূমি অধিকার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আজ ১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখ সকাল ১০ টায় ঢাকার দি ডেইলি স্টার ভবনের আজিমুর রহমান কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম ও কাপেং ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কাপেং ফাউন্ডেশনের সদস্য হিরন মিত্র চাকমার সঞ্চালনায় ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৯ বছর: স্থানীয় জনগণের ভূমি অধিকার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশনের সদস্য ও চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার রাজা দেবাশীষ রায়, সাবেক তথ্য কমিশনার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম ও এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মেসবাহ কামাল ।
স্বাগত বক্তব্য রাখবেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাপেং ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পল্লব চাকমা । মুক্ত আলেচনায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য কাফি রতন, নাগরিক উদ্যোগের সমন্বয়কারী নাদিরা পারভিন, আরডিসির সাধারণ সম্পাদক জান্নাত-এ ফেরদৌসী, বিসিএইচআরডির মাহবুব প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বহুবিধ প্রশাসন ও কর্তৃত্ব চলছে যেটাকে এককথায় অরাজকতা বলা যেতে পারে। সেখানে কোন শৃঙ্খলা নেই। সেখানকার কোন মানুষের নিরাপত্তা নেই। পার্বত্য চুক্তি বিষয়ে সরকারের অনেক কর্তাব্যক্তি, নীতিনির্ধারক মহলের অনেক জন এবং অনেক সংগঠনের অনেক ব্যক্তিরা প্রায় সময়ই খুবই দৃঢ়ভাবে ব্ক্তব্য ও অঙ্গীকার দিয়ে থাকেন। কিন্তু কেন তাহলে গত ১৯ বছর ধরে চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো বাস্তবায়িত হয়নি। এই বিষয়ে সরকারের নীতি নির্ধারকেরা কার্যকর ভূমিকা গ্রহন করেনি। চুক্তির ব্যাপারে নীতি নির্ধারকেরা উগ্র জাতীয়তা, সম্প্রদায়িক, প্রগতি বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত ক্রীয়াশীল হওয়ার কারনে আজও পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত হচ্ছেনা। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সিভিল ও সামরিক আমলাদের অসহযোগিতা বড় বাধা। সিভিল প্রশাসনকে সহায়তার জন্যে অপারেশন উত্তরণ নামে সেনাবাহিনী সহায়তা করবে। কিন্তু আদতে কি তারা সহায়তা করছে নাকি তারাই সবকিছু করছে। আজকে দেখা যাচ্ছে পাহাড়ে বাঙ্গালি-আদিবাসী সংখ্যা সমান হয়ে গেছে। কিন্তু এত দ্রুত পাহাড়ের এই সংখ্যাগত পরিবর্তনের কারণ কি? রাজনৈতিক কারণেই এই পরিবর্তন করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন পর্যটনের মধ্য দিয়েও পাহাড়ে আদিবাসীদের জমি দখল হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, চুক্তি করে চুক্তি প্রতিপালন না করা কোন সভ্যতা নয়। যদি এরকমটি করা হয় তবে সেটি হবে লজ্জার বিষয়। আমি মনে করি ভূমি সমস্যাটি পার্বত্য চট্টগ্রামের এক নম্বর সমস্যা। এছাড়াও পাহাড়ী-বাঙ্গালি সম্প্রীতি, পাহাড়ী নারীদের প্রতি সহিংসতা; বিষয়গুলো অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানের জন্য সরকারকে আরো উদ্যোগী হয়ে কাজ করতে হবে।
চাকমা সার্কেল চীফ রাজা দেবাশীষ রায় বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী মানুষের প্রতি সরকার বৈষম্যমূলক আচরণ বজায় আছে। তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন কার্যত কাজ করতে পারছেনা? চুক্তি অনুযায়ি যে টাস্কফোর্স হয়েছে তাতে ভারত প্রত্যাগতদের কিছুটা পুনর্বাসন করা হলেও অভ্যন্তরীন উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের কোন উদ্যোগই নেয়া হয়নি। একজনকেও তাদের পুনবাসন করা হয়নি। তারা মানবেতর জীবন ধারণ করছে। টাস্কফোর্স কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। তিনি পার্বত্য চুক্তির মূল বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করার দাবি জানান এবং পাহাড়ের অনাকাঙ্খিত যেকোন ঘটনা এড়ানোর জন্য মিশ্র পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, পার্বত্য চুক্তির বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সেটি সরকারকে উপলব্ধি করতে হবে। চুক্তির বাস্তবায়ন সংখ্যা দিয়ে মাপা ঠিক নয়। ভূমি কমিশন কর্তৃক এখনো পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ার পার্বত্যাঞ্চলের ভূমি সমস্যা উত্তরোত্তর জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। পার্বত্য চুক্তির প্রাক্কালে তৃতীয় কোন পক্ষ ছিলো না। দুই পক্ষের আলোকে চুক্তিটি হয়েছে এবং সেটি অব্যশই নিঃসন্দেহে সাহসিকতার পরিচয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা একাধিক প্রশাসন দেখতে পাই। যেটি মোটেই মক্ষলজনক নয়।
মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন , চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পাহাড়ে সুবিধা এসেছে। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী মূল বিষয়গুলো এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। সংখ্যালঘুদের প্রতি সরকারের আচরণ লজ্জাজনক। যেমন আদিবাসী সাওঁতালদের উপর হত্যা ও হামলা, ব্রাম্মনবাড়িয়ার হিন্দুদের উপর হামলা। কিন্তু কেন এদেশের মানুষ প্রতিবাদ করছে না সেটি প্রশ্নবিদ্ধ জায়গা। কতভাগ বা কত শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে সেই অংক না কষে সেখানকার জনগন কি বলছে সেটিই প্রধান বিষয়। সরকার কেন পার্বত্য এলাকায় নির্যাতিন, নিপীড়ন অব্যাহত রাখছে, কেনো তাঁদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিচ্ছে না সেটি আমাদের বুঝতে হবে।

শামসুল হুদা বলেন, নানা বাধা সত্বেও ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে এগিয়ে নিতে হবে। ভুমি কমিশন আইন সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ জানাই সরকারকে। কিন্তু ভুমি সংশোধন বিষয়ক আইনের বিধিমালা হয়নি। এটির জন্য যেন আবার আলোচনা করতে সময়ক্ষেপন করা না হয়। আঞ্চলিক পরিষদের সাথে সমন্বয় করে বিধিমালা প্রণয়ন করতে হবে। পার্বত্য চুক্তি অনুযায়ী সেটেলারদের সম্মানজনক পুনর্বাসন করা হোক।
সঞ্জীব দ্রং স্বাগত বক্তব্যে বলেন, আগামীকাল ১৯ তম পার্বত্য চুক্তি পূর্তি হচ্ছে। ১৯ বছর দীর্ঘ সময়, তবে সেটি কিভাবে, কেমন ভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে সেটি নিয়ে শংসয় থেকেই যাচ্ছে।এখানে সরকার প্রধান পক্ষ তাই সরকারের সহযোগিতাই এই চুক্তি এগিয়ে যেতে হবে। এখানে, চুক্তির মূল বিষয়গুলো এখনো বাস্তবতা হয়নি। পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে পাহাড়ী-বাঙ্গালী উভয়েই জন্যই মঙ্গলজনক। নাগরিক সমাজ, প্রগতিশীল রাজনীতিক দল, মিডিয়াও এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের তিনি আহ্বান জানান।
মূল প্রবন্ধে পার্বত্যবাসীর ভূমি অধিকার ও বাস্তবতা প্রসঙ্গে পল্লব চাকমা বলেন-জুম্মদের বেহাত হওয়া জায়গা-জমি প্রত্যর্পণের পরিবর্তে জুম্মদের জায়গা-জমি জবরদখল ও তাদের চিরায়ত ভূমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। জুম্মদের প্রথাগত ভূমি অধিকারকে পদদলিত করে জুম্মদের মৌজা ও জুম ভূমির উপর পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। বহিরাগত প্রভাবশালীদের কাছে শত শত একর ভূমি ইজারা প্রদান করে এবং পদ্ধতি-বহির্ভুতভাবে রিজার্ভ ফরেষ্ট ঘোষণা করে জুম্মদেরকে তাদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিতে ও চুক্তি মোতাবেক প্রণীত তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনে “ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা” বিষয়টি তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন বিষয় হলেও তিন পার্বত্য জেলার জেলা প্রশাসকরা ভূমি প্রশাসন পরিচালনা করে চলেছেন। জেলা পরিষদের পূর্বানুমোদন ব্যতীত ভূমি হস্তান্তর, বন্দোবস্তী, অধিগ্রহণ ইত্যাদির বিধি-নিষেধ থাকলেও আইন লঙ্ঘন করে জেলা প্রশাসকরা ভূমি হস্তান্তর, বন্দোবস্তী, অধিগ্রহণের কার্যাবলী সম্পন্ন করে চলেছেন। জেলা প্রশাসকরা ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধির দোহাই দিয়ে এ ক্ষমতা ও এখতিয়ার প্রয়োগ করে চলেছেন। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, একাধিক আইনের মধ্যে যদি সাংঘর্ষিক ধারা থাকে, তাহলে পূর্বের আইনের উপর শেষের আইনটি প্রাধান্য লাভ করে থাকে। কিন্তু জেলা প্রশাসকরা সেটা জেনেও না জানার ভান করে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন এখতিয়ার ও কার্যাবলী পরিচালনা করে চলেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরের ১৯ বছর অতিক্রান্ত হলেও ভূমি কমিশন কর্তৃক এখনো পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ার পার্বত্যাঞ্চলের ভূমি সমস্যা উত্তরোত্তর জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। আদিবাসী পাহাড়ীদের জমিজমা এখনো সেটেলার বাঙালীদের জবরদখলে। পক্ষান্তরে চুক্তি স্বাক্ষরের পরও চলছে প্রশাসনের ছত্রছায়ায় সেটেলার বাঙালি কর্তৃক অব্যাহতভাবে ভূমি জবরদখল। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন লঙ্ঘন করে সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য সরকার কেবলমাত্র বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৭৫,৬৮৬ একর পাহাড়ভূমি অধিগ্রহণ করেছে। বনবিভাগ পার্বত্য চট্টগ্রামের রক্ষিত ও অশ্রেণীভুক্ত বনাঞ্চলের ২,১৮,০০০ একর ভূমি রিজার্ভ ফরেষ্ট হিসেবে ঘোষণা করেছে। আদিবাসীদের প্রথাগত অধিকারকে সম্মান না দেখিয়ে অস্থানীয় বাঙালিদের কাছে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে বা রাবার চাষের জন্য কেবলমাত্র বান্দরবান জেলায় ৪০,০৭৭ একর ভূমির ১৬০৫টি প্লট ইজারা প্রদান করা হয়েছে। এসব পাহাড়ভূমিগুলো ছিল মূলতঃ আদিবাসীদের জুমভূমি ও যৌথ মৌজা বন। এই ইজারা প্রদানের ফলে শত শত আদিবাসী পরিবার প্রথাগত জুমচাষ ও গৃহস্থালীর জন্য বনজ সম্পদ আহরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সার্বিকভাবে তাদের জীবনযাত্রা বিপন্ন হয়ে পড়ছে। তাদের জমি, বন ও পাহাড় হারানোর ফলে তারা অধিকতর নিঃস্ব হচ্ছে। ভূমিহীন হয়ে তারা গরীব থেকে গরীবতর জনগোষ্ঠীতে পরিণত হচ্ছে।
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আদিবাসী জাতিসমূহের উপর এই বৈষম্য-বঞ্চনার পেছনে অন্যতম যে কারণ তা হচ্ছে পশ্চিমা দুনিয়ার ঔপনিবেশিক জাতিরাষ্ট্র ধারণা। এই জাতিরাষ্ট্রের ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রসমূহের মূল নীতি হচ্ছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতিসমূহকে দমন-পীড়ন ও বঞ্চনার মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাথে অঙ্গীভূত করা নতুবা তাদের জাতীয় অস্তিত্ব চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। ফলে আজ আদিবাসীদের চিরাচরিত ভূমি অধিকার চরমভাবে বিপন্ন ও হুমকির সম্মুখীন।
সর্বশেষ তিনি বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি মোতাবেক স্থানীয় অধিবাসীদের ভূমি অধিকার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য-
# পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন যথাযথভাবে কার্যকরকরণের মাধ্যমে ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি করা;
# ‘ভূমি এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা’ বিষয়টি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি অনুযায়ী যথাযথ ও জরুরী ভিক্তিতে জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা;
# অবৈধভাবে রাবার চাষ ও অন্যান্য প্লান্টেশনের জন্য বরাদ্ধকৃত জমির ইজারা বাতিল করা;
# ‘অপারেশন উত্তরণ’সহ সকল অস্থায়ী ক্যাম্প প্রত্যাহার এবং স্থানীয় পার্বত্য পুলিশ বাহিনী গঠন করা;
# প্রত্যাগত জুম্ম শরণার্থী ও আভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসন করা,
# সেটেলার বাঙালিদের পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরে সম্মানজনক পুনর্বাসন করা।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *