জাতীয়

সাংগ্রাইং, বিহু,বৈসু, বিজু, বিষু, চাংক্রান আসে দীর্ঘশ্বাস নিয়ে…….

দিন পেরোলেই শুরু হবে বিজু, বৈসু,বিষু আর বিহু। চৈত্রের বিদায়ের শেষ দুই দিন। ঘরে ঘরে ফুলের মালা, নদী ছড়ায় ফুল ভাসানো, দুয়ারে, ঘাটে সান্ধ্য প্রদীপ জ্বালিয়ে শুরু হবে আগমনী বার্তা। গড়িয়ার নৃত্যের তালে তালে ছন্দে মাতবে কি পাহাড়? তারপর আসবে মগাব্দের বিদায় সাংগ্রাইং, চাংক্রান। মধ্য এপ্রিলে শুরু হওয়া এই বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় পুরো মাস জুড়ে পাহাড়কে মাতিয়ে রাখে।

কিন্ত এই বছর আবারও জুম পাহাড়ের জনজীবন কারা যেন জাপটে ধরেছে। তাই এবার সাংগ্রাইং, বিহু, চাংক্রান, বৈসু, বিষু,বিজু আসছে ভীরু মন নিয়ে, প্রকম্পিত পায়ে। আনন্দ অার উচ্ছ্বাসের মাঝেও থেকে যায় দীর্ঘশ্বাস।

বিজ্ঞাপণ

জুম পাহাড়ে আবারও গেংখুলীরা গাইবে, গড়িয়ার চেনা ছন্দে মুখরিত হবে অনাগত কোন বৈসু। পাংখুং আর জাইয়ের পালা গানে মারমা পল্লী আনন্দে ভয়হীন রাত জাগবে। শিবচরণ আর চান্দবীরা আপন মনে উভগীত গেয়ে পাহাড়ে পাহাড়ে তুরু তুরু তুরু বাঁশি বাজাবে। সাগরের সৈকতে রাখাইন জনপদেও আসুক জল ছিটানোর শংকাহীন অানন্দ নিয়ে সাংগ্রাইং।

Back to top button