আঞ্চলিক সংবাদ

বান্দরবানে জেলা জনসংহতি সমিতি সভাপতি গ্রেফতারঃ অবিলম্বে মুক্তির দাবি

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ ৩১ জুলাই মধ্য রাতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির বান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি উছোমং মারমাকে বান্দরবান সদরের কালাঘাটাস্থ তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এই গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে উছোমং মারমার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। দলটির সহ তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৩ জুন রাজভিলায় আওয়ামী লীগের সদস্য মংপু মারমার অপহরণ ঘটনায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জড়িত করে জনসংহতি সমিতি ও সমিতির সহযোগী সংগঠনের ৩৮ জন সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলায় উছোমং মারমাসহ জনসংহতি সমিতির ১০ জন সদস্য হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন লাভ করেন। জামিন পেয়ে রবিবার উছোমং মারমা তাঁর বাড়িতে পৌঁছলে আরেকটি নতুন চাঁদাবাজি মামলায় জড়িত করে তাঁকে গভীর রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো উল্লেখ করা হয় ১ আগস্ট মো: আব্দুল করিম নামে বান্দরবান সদর উপজেলার সুয়ালক ইউনিয়নের জনৈক আওয়ামী লীগ নেতা কর্তৃক জামিন লাভ করা জনসংহতি সমিতির ৭ জন সদস্যসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে বান্দরবান সদর থানায় তাৎক্ষণিকভাবে চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলায় উছোমংকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করে বলা হয়, উক্ত ষড়যন্ত্রমূলক চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করার পূর্বেই উছোমং মারমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় যে, রাজনৈতিকভাবে হয়রানির উদ্দেশ্যে পূর্ব-পরিকল্পনা অনুসারে মিথ্যা ও সাজানো অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিবৃতিতে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং আটককৃত নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়ে বলা হয়, যে কোন পরিস্থিতির জন্য স্থানীয় প্রশাসন তথা সরকার দায়ী থাকবে।

বিজ্ঞাপণ

Back to top button