অন্যান্য

দোকান কর্মচারীদের বিভিন্ন দাবিতে মানববন্ধন

আজ ২১ জুন, ২০১৯, সকাল ১১টায় ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দেশের ৬০ লক্ষাধিক দোকান দোকান কর্মচারীদের জন্য মজুরী বোর্ড গঠন, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, অতিরিক্ত কজের জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রদানসহ আইন সঙ্গত ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নের দাবী জানিয়ে জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের ঢাকা মহানগরের উদ্যেগে দোকান কর্মচারীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শতাধিক দোকান কর্মচারী অংশ নেন।

ফেডারেশনের ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি হযরত আলী মোল্লা এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন :ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি- রফিকুল ইসলাম বাবুল, সাধারণ সম্পাদক- জনাব আমিরুল হক্ আমিন, কেন্দ্রীয় নেতা কামরুল হাসান, এম এ গনী, জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সাফিয়া পারভীন, মহানগর নেতা বাবুল, দিদার, তোফাজ্জল প্রমুখ ।

বিজ্ঞাপণ

বক্তাগন তাদের বক্তবে বলেন সমগ্র বাংলাদেশে ৬০ লক্ষ দোকান কর্মচারী কর্মরত আছেন। কিন্তু তাহা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের চাকুরীর নিশ্চয়তা নেই, সুনির্দিষ্ট চাকুরী বিধি নেই। কর্মস্থলে নিরাপত্তা ও কর্ম -উপযোগী পরিবেশ নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে বেচে থাকা তাদের জন্য খুবই দুরুহ ও কষ্টকর। ছেলে মেয়ের লেখাপড়া এক অনিশ্চয়তার মুখে। অসুস্থ হলে চিকিৎসার নিশ্চয়তা নেই। চাকুরীর নিশ্চয়তা নেই। সরকারের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। সারা জীবন দোকান কর্মচারী হিসেবে সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে আসলে ও জীবনের শেষ মূহুর্তে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে এক কঠিন অবস্থায় পড়েন। কিন্তু তাদের কল্যাণে পাশে দাড়াবার কেউ নেই।

দোকান কর্মচারী ভাইবোনদের দাবী তাদের প্রতি সদয় হয়ে তাদের জন্য ন্যায়সঙ্গত মজুরী বোর্ড গঠন, নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্র প্রদান, সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, অতিরিক্ত কজের জন্য ওভারটাইম ভাতা প্রদানসহ আইন সঙ্গত ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নের জোর দাবী করা হয়।

দাবী সমূহ বিবেচনা ও বাস্তাবায়নের জন্য নিম্নোক্ত দেওয়া হলো:
১। সারা দেশের দোকান কর্মচারীদের জন্য মজুরী বোর্ড গঠন করতে হবে।
২। সকল দোকান কর্মচারীকে নিয়োগ পত্র দিতে হবে ।
৩। সকল দোকান কর্মচারীকে কর্তৃপক্ষের স্বাক্ষর যুক্ত পরিচয়পত্র দিতে হবে।
৪। দোকান কর্মচারীদের আইন অনুযায়ী সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি দিতে হবে।
৫। সরকারী উদ্যেগে দোকান কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিল গঠন করতে হবে।
৬। দোকান কর্মচারীদের আইন সঙ্গর সকল ছুটি দিতে হবে।
৬। দোকান কর্মচারীদের দুই ঈদে বেতনের সমপরিমান টাকা বোনাস হিসাবে দিতে হবে।
৭। দোকান কর্মচারীদের অতিরিক্ত কাজের জন্য ওভার টাইম ভাতা দিতে হবে।
৮। দোকান কর্মচারীদের সার্ভিস বুক প্রদান করতে হবে ।
৯। দোকান কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা খরচ দিতে হবে।
১০। দোকান কর্মচারীদের চাকুরীর নিশ্চয়তা দিতে হবে।

বিজ্ঞাপণ

Back to top button