সোশ্যাল মিডিয়া আইপিনিউজ-

তিন পার্বত্য জেলায় বন, প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই তিন পার্বত্য জেলায় টেকসই বন ব্যবস্থাপনা ইকো-সিস্টেম, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, প্রাকৃতিক জলধারার প্রবাহ এবং জলের উৎস ব্যবস্থাপনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রবিধান ১৯০০-এর অধীনে পাড়া সংরক্ষিত বন বা মৌজা বন পরিচালনার জন্য কেন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা চার সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলে বনজ সম্পদ পরিবহন নীতিমালা ১৯৭৩ এর ৯বিধির বৈধতা ও সাংবিধানিকতা চ‍্যালেঞ্জ করা হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রবিধান ১৯০০- অনুযায়ী প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও আইনানুযায়ী সেটি না করে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ধ্বংস সহ অবৈধ পাথর উত্তোলন করা হচ্চে। যার ফলে পাহাড়ের বন-প্রকৃতি ও পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং অবৈধ পাথর উত্তোলনে পানির উৎস শুকিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতি ধ্বংসের ফলে পাহাড়ে জনজীবন দিন দিন দূর্বিষহ হয়ে উঠছে।

গত ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেছেন। এতে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, তিন পার্বত‍্য জেলার জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রধান বন সংরক্ষকসহ ২২ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত বিবাদীদের আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বনজ দ্রব্য পরিবহন বিধিমালার ৯ ধারা কেন বাতিল করা হবে না এবং পার্বত্য শাসনবিধি অনুযায়ী কেন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণের আদেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। বান্দরবানের আইনজীবী উবাথোয়াই মারমার দায়ের করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ওই আদেশ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত

Leave a Comment

Your email address will not be published.

আইপিনিউজের সকল তথ্য পেতে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও পড়ুন